চাঁদপুর ই-শপ

হেল্প লাইন +৮৮ ০১৯৮৪৪১৪১২০
( শনিবার-বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টা-সন্ধ্যা ৬ টা )

বেটা সংস্করণ

খোঁজ
আইটেম 0.00৳

আমাদের উৎপাদনকারীদের সফল হওয়ার গল্প

 

হাজেরা বেগম

হাজেরা বেগম বয়স ৪৫ বছর। এই মহিলার একটি সাধারন গল্প আছে। তৃতীয় বিশ্বের সব জায়গাতেই এই গল্প আছে। সে একজন অতি সাধারন মহিলা, বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন প্রতিদন্দিতার সম্মুখীন হচ্ছিল। পরিবারের প্রয়োজনীয় জিনিসের প্রধান যোগানদাতা, দুই সন্তানের মা ............. তার ছোট সন্তানকে স্কুলে পাঠানোর জন্য যখন টাকার দরকার হয়েছিল তখন প্রায়ই সে তার স্বামীর দ্বারা অত্যাচারিত হত, যখন থেকে তার সন্তান পড়ালেখা শিখতে চাইত তাকে থামিয়ে দেয়া হোত। কিন্তু যখন সে ‘‘আমার দেশ আমার গ্রাম’’ এর ই-সেন্টারের একটা অংশ হিসাবে কাজ শুরু করল তখন থেকে তারা সম্পূর্ন জীবনের একটা পরিবর্তন আসল। সে ‘‘আমার দেশ আমার গ্রাম’’ এ কোয়ালিটি সুপার ভাইজার হিসাবে তার কাজ বা যাত্রা শুরু করল। তার এর পূর্বে কম্পউটার পরিচালনা জানা ছিল না। সে কম্পউটার পরিচালনা শেকার জন্য কঠিন পরিশ্রম করতে লাগল। হাজেরা বেগম শ্রীঘ্রই টাকা আয় করতে শুরু করেছিল যেটা তার ছোট সন্তানকে ঢাকা শহরের স্কুলে পাঠানোর জন্য যথেষ্ট ছিল। কমউনিটির লোকেরা বুঝতে পেরেছিল যে অল্প সময়ের মধ্যেই তার ইচ্ছা পূরন হয়েছিল এবং অত্যাচার বন্ধ হয়েছিল।তার কমউনিটির লোকেরা তাকে সম্মান করতে শুরু করল এবং স্থানীয় রাজনীতির অংশ হতে উৎসাহ দিল। 

রাইমোনি

রাইমোনি: চোখে জল নিয়ে বলল সে নিজেই তার ই-সপের গর্বিত মালিক। আমার যথেষ্ট বয়স হয়েছে, আমার ছেলে মেয়েরা আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। আমি ভস্কর্য্য তৈরী করি এবং এই উপার্জনই আমর বেঁচে থাকার উপায়। কুব কম লোকই আমার কাজ সম্পর্কে জানে। আমি আমার জীবনের বাকী সময়টা ঢাকায় আমার ননদের বাসায় কাটাবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। একদিন আমার প্রতিবেশী ‘‘ আমার দেশ আমার গ্রাম’’ এর কম্পউটার ই-শপ থেকে এসে খুব আনন্দ প্রকাশ করেছিল তাই আমার কম্পীউটার সম্পর্কে জানার জন্য খুব উৎসাহ আছে। আমি আমার ভাস্কর্য্যগুলোকে বিশ্ব-ব্যাপী ছড়িয়ে দিতে পারতাম, তখন খুব দু:খ পেয়েছিলাম, ঢাকা থেকে একজন ভদ্রলোক এস আমার ভাস্কর্য্য কিনেছিল এটা আমার জন্য খুবই অবাক ও আনদেনর অবিজ্ঞতা ছিল। এখন আমি নিজের বাড়ীতে বসে আরামে কাজ করি এবং এভাবেই আমি নিজের জীবন চালাই/ বাঁচাই। 

হোসনেয়ারা বেগম

হোসনেয়ারা বেগমের ও একটা নিজস্ব সাধারন গল্প আছে। তথাকথিত তৃতীয় বিশ্বে এই গল্প অনেক আছে। সে একজন সাধারন মহিলা বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চল থেকে সে বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলা করছিল। এক অতি সাধারন .............. স্বামী, তিন সন্তানের মা ............. যখন তার ছোট ছেলেকে স্কুলে পাঠানোর জন্য টাকার দরকার হয়েছিল তখন সে প্রায়ই তার স্বামীর দ্বারা অত্যাচারিত হোত তখন থেকে তার সন্তানের পড়ালেখা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এটাই বিশেষত্ত্ব যে সে ‘‘আমার দেশ আমার গ্রাম’’ এর ই-সেন্টার কমউনিটির অংশ হওয়ার পর থেকে কেমন করে তার সারা জীবনের একটা পরিবর্তন এসেছিল। কোয়ালিটি সুপারভাইজার হিসাবে সে ‘‘আমার দেশ আমর গ্রাম’’ এর সাথে কার্যক্রম বা যাত্রা শুরু করেছিল। এখানে কাজ করার পূর্বে তার কম্পউটার চালানোর কোন জ্ঞান ছিল না। কম্পউটার পরিচালনার প্রধান/মূল বিষয়গুলি শেখার জন্য তাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছিল। হোসনেয়ারা বেগম শীঘ্রই আয় করতে শুরু করল। যেটা তার ছোট ছেলেকে ঢাকা শহরে স্কুলে পড়তে পাঠানোর জন্য যথেষ্ট ছিল। তার কমউনিটির লোকেরা বুঝতে পেরেছিল যে, অল্প সময়ের মধ্যেই তার ইচ্ছা পূরন হয়েছিল এবং অত্যাচার বন্ধ হয়েছিল। তার কমউনিটির লোকেরা তাকে সম্মা্ন দিতে লাগল এবং মংলার মিঠাখালী গ্রামের স্থানীয় রাজনীতির অংশ হতে উৎসাহ দিল।  

 
[profiler]
Memory usage: real: 13631488, emalloc: 13017528
Code ProfilerTimeCntEmallocRealMem